:

বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্যদিয়ে শেষ হলো ভোট গ্রহণ: ভোটার উপস্থিতি ছিল কম

top-news



কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া মোটামুটি শান্তিপূর্নভাবে চট্টগ্রামে শেষ হয়েছ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনে ভোট গ্রহণ। এখন চলেছ ভোট গণনা।  জেলার আনোয়ারায় বৈরাগ ইউনিয়নের গুয়াপঞ্চক উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে বিএনপি এবং জামায়াত সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনায় ৬জন আহত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আহতরা ইসলামি ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থীর সমর্থক। আহত ব্যক্তিরা হলেন—শাহাদাত হুজুর , মুনতাসির , একরাম  ও আরিফ। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত দুজন হলেন পোলিং এজেন্ট মো. রুবেল ও আসিফুল ইসলাম। গুরুতর আহতদের আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

সকালে দিকে ভোট কেন্দ্রে কিছুটা উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটকেন্দ্রে বাড়তে থাকে ভোটার উপস্থিতি। তবে দুপুরের পর ভোটার উপিস্থিত কমে যায়। বিকেলে অনেক কেন্দ্র ফাঁকা হয়ে যায়। নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে ভোট কেন্দ্রে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের গল্পগুজব করে কাটাতে দেখা গেছে। 

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী দুপুর পর্যন্ত ৩১শতাংশ ভোট পড়ে। 

এদিকে ভোট কেন্দ্রে যেসব ভোটররা ভোট দিতে এসেছেন তারা নিজের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরে খুশি বলে তারা জানান। 
জীবনে প্রথম ভোট দিতে আসার তরুনদের মধ্যে ছিল উচ্ছ্বাস। শান্তিপূর্ণ ভোট আয়োজনে আইন শৃংখলা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যনীয়। ।

সকালের দিকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিতি বাড়তে থাকে ভোটারদের। বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে এবার নারীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষনীয়।

ভোরের আলো ফুটার সাথে সাথে নিজ নিজ এলাকার ভোট কেন্দ্রে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষনে ছুটে যান এক কেন্দ্র থেকে অন্যকেন্দ্রে। ভোট দেন জাতীয় দলের তারকা খেলোয়াড় তামিম ইকবালও।

ভোট কেন্দ্রে এসে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরে খুশি ভোটররা। সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি এবার গণভোটের আলাদা ব্যালট থাকায় ভোটরদের ভোট দিতে তেমন সমস্যা হয়নি বলেও জানান তারা।

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে নির্ধারিত সময়ের আগেই রেজাল্ট শিটে পোলিং এজেন্টদের স্বাক্ষর নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার পূর্ব সুয়াবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মাসুদ বিন রশিদ ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আগেই কেন্দ্রের দরজা বন্ধ করে কয়েকজন পোলিং এজেন্টের কাছ থেকে রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর নেন।

বিষয়টি জানাজানি হলে কেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরে উপস্থিত বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত এজেন্ট ও কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়ে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় রূপ নেয়। এতে কেন্দ্র এলাকায় সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ফটিকছড়ি সরকারি কলেজ কেন্দ্রেও দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। ওই কেন্দ্রে দুজনকে এবং নাজিরহাট আহমদিয়া কামিলা মাদ্রাসা কেন্দ্রে তিনজনকে অর্থদণ্ড প্রদান করেন ম্যাজিস্ট্রেট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *